• ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১০ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Trade Deal

বিদেশ

ডলার ছেড়ে ইউয়ান! আমেরিকাকে চরম হুঁশিয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির, বিশ্ব অর্থনীতিতে ঝড়

ইরান ও আমেরিকার সংঘাত কবে থামবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই বড় সঙ্কটে পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। বিশেষ করে ডলার নির্ভর তেল বাণিজ্য নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকাকে কড়া বার্তা দিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তারা জানিয়ে দিয়েছে, পরিস্থিতি না বদলালে ডলারের বদলে অন্য মুদ্রায় তেল বিক্রি এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন শুরু করতে পারে।খবর অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ইতিমধ্যেই আমেরিকাকে জানিয়েছে, প্রয়োজনে তারা চিনের মুদ্রা ইউয়ান ব্যবহার করে তেল বিক্রির পথে হাঁটতে পারে। এতদিন আমেরিকার ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও, এবার তারা নিজেদের স্বার্থে আলাদা অবস্থান নিতে চাইছে। তাদের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে ডলারের সহায়তা দিতে হবে, না হলে বিকল্প পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে তারা।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এই বিষয় নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে। যদি যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, তাহলে বিকল্প মুদ্রা ব্যবস্থার দিকে যেতে হবে বলেই মনে করছে তারা। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নর ইতিমধ্যেই মার্কিন অর্থ দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছেন। ডলারের জোগান কমে গেলে ইউয়ান ব্যবহার করা ছাড়া অন্য কোনও উপায় থাকবে না বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।যুদ্ধের জেরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল আটকে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে তাদের তেল ও গ্যাস পরিকাঠামোরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই আর্থিক ক্ষতি সামাল দিতে তারা আমেরিকার কাছে ক্ষতিপূরণও চেয়েছে। সম্প্রতি ভারতের একটি বেসরকারি সংস্থা চিনা মুদ্রায় ইরানের তেল কিনেছে বলেও জানা গিয়েছে, যা এই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব বাজারে তেল কেনাবেচা মূলত ডলারেই হয়ে থাকে। উনিশশো সত্তরের দশক থেকে এই প্রথা চালু। সেই সময় তেলের সঙ্কটের পর আমেরিকা ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল, যার ফলে তেল বাণিজ্যে ডলারের ব্যবহার বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে। কিন্তু বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি সেই ব্যবস্থাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ডলারের পরিবর্তে অন্য মুদ্রায় তেল লেনদেন শুরু হয়, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
বিদেশ

ভোটের আগে বড় চুক্তি! আমেরিকার সঙ্গে ইউনুস সরকারের সমঝোতা ঘিরে জল্পনা

বাংলাদেশে সংসদীয় নির্বাচনের আগে আমেরিকার সঙ্গে একটি পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর করল মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশি পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার কমে দাঁড়াল ১৯ শতাংশে। সামাজিক মাধ্যম এক্সে নিজেই এই চুক্তির কথা জানিয়েছেন ইউনুস।তিনি জানান, সোমবার বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং তার ফলে আমেরিকা তাদের শুল্কের হার আরও কমিয়ে ১৯ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। ইউনুস আরও বলেন, ভবিষ্যতে কিছু টেক্সটাইল ও পোশাক পণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্কের সুবিধা দেওয়ার জন্য একটি বিকল্প ব্যবস্থা তৈরির বার্তাও দিয়েছে আমেরিকা।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ মূলত টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানির উপর নির্ভরশীল। দেশটির মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই এই খাত থেকে আসে। ফলে মার্কিন শুল্ক কমায় বাংলাদেশের রপ্তানি ক্ষেত্রে বড় স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের একাধিক দেশের বিরুদ্ধে কার্যত শুল্কযুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। সেই সময় প্রথমে বাংলাদেশি পণ্যের উপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়। পরে গত বছরের আগস্টে তা কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়। এবার নতুন চুক্তির ফলে সেই শুল্ক আরও কমে ১৯ শতাংশে এল।প্রায় ৯ মাস ধরে দীর্ঘ আলোচনার পর এই চুক্তি হয়েছে। তবে নির্বাচন একেবারে সামনে, আর অন্তর্বর্তী সরকারও অস্থায়ীভাবে ক্ষমতায়এই পরিস্থিতিতে এমন বড় বাণিজ্য চুক্তির অর্থ কী, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
বিদেশ

পিওকে-সহ কাশ্মীর ভারতেরই! ট্রাম্প প্রশাসনের মানচিত্র ঘিরে তোলপাড়

শনিবার ভারত ও আমেরিকার মধ্যে অন্তর্বর্তী বাণিজ্যচুক্তির কাঠামো ঘোষণা হতেই হঠাৎই আলোচনার কেন্দ্রে চলে এল একটি মানচিত্র। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে প্রকাশিত ওই মানচিত্রে গোটা ভারতীয় ভূখণ্ডকে একসঙ্গে দেখানো হয়েছে। সেখানে জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারতের অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের অবৈধ দখলে থাকা পাক অধিকৃত কাশ্মীরও মানচিত্রে ভারতের অংশ হিসেবেই রয়েছে।এতেই শেষ নয়। ওই মানচিত্রে আকসাই চিনকেও ভারতের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই অঞ্চলকে চিন নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে। যদিও ভারত বরাবরই জানিয়েছে, কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সে ক্ষেত্রে ভারতের সার্বভৌমত্ব প্রমাণের জন্য আমেরিকার স্বীকৃতির প্রয়োজন নেই। তবুও কূটনৈতিক মহলের মতে, এই মানচিত্র আমেরিকার আগের অবস্থান থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।এর আগে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট বা বিভিন্ন মার্কিন সংস্থার প্রকাশিত মানচিত্রে পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে আলাদা করে দেখানো হতো। তাতে পাকিস্তানের দাবির প্রতিফলন থাকত। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বশেষ মানচিত্রে সেই বিভাজন আর নেই। ফলে অনেকেরই মত, এতে পাকিস্তানের দাবিকে কার্যত উপেক্ষা করা হয়েছে।সময়টাও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ও আমেরিকার সম্পর্কে টানাপড়েন তৈরি হয়েছিল। বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে অচলাবস্থার মধ্যে ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপান, যা ছিল আমেরিকার মিত্র দেশগুলির মধ্যে সর্বোচ্চ। পরে আলোচনার মাধ্যমে সেই শুল্ক কমে ১৮ শতাংশে নেমেছে, যা এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে সবচেয়ে কম।একই সঙ্গে ট্রাম্প আবার ভারত ও পাকিস্তানকে একসঙ্গে দেখার পুরনো নীতি ফিরিয়ে আনতে চেয়েছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। কিন্তু এই মানচিত্র প্রকাশের পর সেই অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। কূটনৈতিক মহলের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ওয়াশিংটন ভারতের দাবির দিকেই কিছুটা ঝুঁকছে।এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে সোশ্যাল মিডিয়াতেও। প্রাক্তন সেনা আধিকারিক এবং প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা আমেরিকার এই পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, এটি পাকিস্তানের জন্য বড় কূটনৈতিক ধাক্কা। উল্লেখ্য, গত কয়েক মাসে পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির একাধিকবার আমেরিকা সফর করেছেন এবং ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন। কিন্তু তাতেও যে বিশেষ লাভ হয়নি, এই মানচিত্র প্রকাশের ঘটনায় তা স্পষ্ট বলে মনে করছেন অনেকে।এদিকে, আসন্ন অন্তর্বর্তী বাণিজ্যচুক্তি ভারতের রফতানিকারকদের জন্য স্বস্তি নিয়ে আসছে। ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, তামা, ওষুধ, গাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশে ছাড় আদায় করতে পেরেছে ভারত। তবে কৃষি ও দুগ্ধজাত পণ্যে নিজেদের অবস্থানে অনড় থেকেছে নয়াদিল্লি।এই মানচিত্র কি আমেরিকার নীতিগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত, না কি সাময়িক কূটনৈতিক বার্তা তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও একথা স্পষ্ট, এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের অবস্থান আরও জোরালো হল বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
দেশ

আমেরিকার পর নজর পশ্চিম এশিয়ায়! ভারতের বাণিজ্য কৌশলে বড় বদল

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত করার পর এবার পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে নতুন বাণিজ্যচুক্তির পথে এগোচ্ছে ভারত। উপসাগরীয় সহযোগিতামূলক পর্ষদ বা গাল্ফ কোঅপারেশন কাউন্সিলের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করল নয়াদিল্লি। এই পর্ষদে রয়েছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার, কুয়েত, ওমান এবং বাহরিন।এই ছটি দেশের সঙ্গে ভারতের আগে থেকেই বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ও জিসিসি-র দেশগুলির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ পৌঁছেছে প্রায় ১৭ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলারে। এবার সেই সম্পর্ক আরও শক্ত করতে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি বা ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই চুক্তি চূড়ান্ত হলে জিসিসি-র ছটি দেশে শুল্ক ছাড়াই পণ্য রপ্তানি করতে পারবে ভারত। গত বৃহস্পতিবারই এই নিয়ে প্রাথমিক চুক্তিতে সই হয়েছে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। তিনি বলেন, হাজার হাজার বছর ধরে ভারতের সঙ্গে এই দেশগুলির বাণিজ্যিক যোগাযোগ রয়েছে। নতুন চুক্তি হলে সেই সম্পর্ক আরও গভীর হবে।বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, খাদ্যশস্য উৎপাদনে ভারত বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলির মধ্যে রয়েছে। অন্য দিকে, জিসিসি-র দেশগুলি তেল ও গ্যাস রপ্তানিতে এগিয়ে। ফলে এই চুক্তি কার্যকর হলে দুপক্ষই লাভবান হবে বলে মত তাঁর।এই প্রসঙ্গে প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও রাষ্ট্রসংঘের উপদেষ্টা জেফ্রি স্যাক্স বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চল ভারতের জন্য একটি বড় বাজার। পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতিও দ্রুত বাড়ছে। চিনের সঙ্গেও ভারতের বাণিজ্যের সুযোগ রয়েছে। তাঁর মতে, শুধু আমেরিকার বাজারের উপর নির্ভর না করে ভারতের উচিত বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও মজবুত করা।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬
দেশ

চিন-পাকিস্তানের থেকেও কম শুল্ক! আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যে বাজিমাত ভারতের

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পরই যেন আমেরিকার সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের শুল্কযুদ্ধের অবসান ঘটল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। এই বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথাও বলেছেন বলে দাবি করেছেন। তার পরই বদলে গিয়েছে ভারতের উপর আমেরিকার শুল্ক বসানোর পুরো হিসেব।এর আগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত কর এবং ২৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ বসানো হয়েছিল। সব মিলিয়ে শুল্কের হার পৌঁছে গিয়েছিল ৫০ শতাংশে। কিন্তু এখন জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে আলোচনার পর সেই হার সরাসরি কমিয়ে ১৮ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই নতুন শুল্কহার বর্তমানে চিন, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের তুলনায় অনেকটাই কম।এই খবর সামনে আসতেই বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে অটো শিল্প, টেক্সটাইল এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রের জন্য এই সিদ্ধান্তকে বড় স্বস্তি বলে মনে করা হচ্ছে। অর্থনৈতিক মহলের মতে, এর ফলে আগামী দিনে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য আরও বাড়তে পারে।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, দক্ষিণ কোরিয়ার পরে উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে ভারতের উপরেই এখন সবচেয়ে কম শুল্ক বসিয়েছে আমেরিকা। শতাংশের হিসেবে যা মাত্র ১৮। অন্যদিকে থাইল্যান্ড, ফিলিপিন্স, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, দক্ষিণ আফ্রিকা, চিন এবং ব্রাজিলের মতো দেশগুলির উপর আমেরিকার শুল্কহার ভারতের তুলনায় অনেক বেশি। এমনকি পাকিস্তানের উপরেও ১৯ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছে আমেরিকা।সব মিলিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আমেরিকার সঙ্গে একের পর এক বাণিজ্য চুক্তি ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির জন্য বড় ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই চুক্তিগুলির প্রভাব দেশের বাজার ও রপ্তানি ক্ষেত্রে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
দেশ

২৫% থেকে ১৮%! ট্রাম্পের ঘোষণায় বড় স্বস্তি ভারতের, কিন্তু রাশিয়ার তেল নিয়ে রহস্য কী?

দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটতে চলেছে ভারত-আমেরিকার বাণিজ্য সম্পর্কে। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়ে দিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে নতুন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। চুক্তিতে এখনও আনুষ্ঠানিক সই না হলেও, শর্তাবলি প্রায় স্থির বলে ইঙ্গিত মিলেছে। এই চুক্তির ফলে ভারতের উপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ কমবে এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের সুযোগ আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, নতুন চুক্তি কার্যকর হলে ভারতের উপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হবে। এতে ভারতীয় পণ্যের রফতানিতে সুবিধা হবে বলে তাঁর দাবি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও জানিয়েছেন, শুল্ক কমার বিষয়টি ভারতের পক্ষে ইতিবাচক। ট্রাম্পের কথায়, চুক্তিতে সিলমোহর পড়লেই দ্রুত নতুন শুল্কহার কার্যকর করা হবে।তবে ট্রাম্প আরও কিছু শর্তের কথাও জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, ভারত নাকি ভবিষ্যতে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে এবং তার বদলে আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলার কাছ থেকে তেল আমদানি বাড়াবে। যদিও প্রধানমন্ত্রী মোদীর তরফে এই বিষয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, ভারত আমেরিকা থেকে প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য কিনতে পারে এবং আমেরিকার পণ্যের উপর থাকা ট্যারিফ ও নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ার অনেকটাই কমানো হবে, এমনকি শূন্যে নামানোর কথাও বলা হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বর্তমানে আমেরিকা বাংলাদেশের উপর ২০ শতাংশ এবং পাকিস্তানের উপর ১৯ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। সেখানে ভারতের উপর শুল্ক ১৮ শতাংশে নামলে, এই অঞ্চলে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারত স্পষ্টভাবেই বাড়তি সুবিধা পাবে। অর্থনৈতিক মহলের মতে, এই চুক্তি কার্যকর হলে ভারতের রফতানি ও শিল্পক্ষেত্রে নতুন গতি আসতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬

ট্রেন্ডিং

দেশ

বাড়ির সামনেই জমা জল, খেলতে গিয়ে আর ফেরা হল না! তিন বছরের শিশুর মৃত্যুতে উত্তাল দিল্লি

একটানা ভারী বৃষ্টিতে কার্যত জলমগ্ন দিল্লি। সেই জল জমেই ঘটে গেল হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। গাজিয়াবাদের একটি গলিতে জমে থাকা জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে তিন বছরের এক শিশুকন্যার। ঘটনাটি ঘটেছে বাড়ির কাছেই। দুর্ঘটনার পর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।স্থানীয়দের দাবি, যে গলিতে শিশুটি ডুবে যায় সেখানে প্রায় তিন ফুট জল জমেছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর প্রায় চার ঘণ্টা পরে শিশুটির দেহ উদ্ধার করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, জাতীয় সড়কের একটি অংশ সম্প্রসারণের পর থেকেই ওই এলাকায় জল জমার সমস্যা বেড়েছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পুর কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ তাঁদের।বুধবার থেকে শুরু হওয়া টানা ভারী বৃষ্টিতে দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বহু রাস্তায় জল জমে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় গাছ উপড়ে পড়ায় দীর্ঘ যানজটেরও সৃষ্টি হয়েছে। এর আগের রাতে রোহিনী এলাকায় একটি নির্মীয়মাণ বাড়ি ভেঙে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টি আরও কিছু সময় চলতে পারে। রাজধানীর একাধিক এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় রাস্তা কার্যত জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। সদর বাজার, গ্রেটার কৈলাশ, বদরপুর, নাসিরপুর, তেলিওয়ারা, মহাবীর বাজার, স্বরূপ নগর, কুশক রোড, মুনিরকা, দ্বারকা, বিকাশ মার্গ, পূর্ব দিল্লি এবং নতুন দিল্লি রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় জল জমে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

চারশো চল্লিশ কোটি টাকার তহবিল ঘিরে বড় লড়াই! এবার কি সুপ্রিম কোর্টে মুখোমুখি দুই তৃণমূল?

তৃণমূলের দলীয় তহবিল নিয়ে আইনি লড়াই এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। সূত্রের খবর, দল পরিচালনায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাবি তুলে দলীয় তহবিলের উপর অধিকার চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ অনুমতি প্রার্থনা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। আসল-নকল তৃণমূল বিতর্কের মাঝেই এই সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে তদন্তে বড় পদক্ষেপ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তদন্তকারী সংস্থা কালীঘাট তৃণমূলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা চারশো চল্লিশ কোটি টাকা ফ্রিজ করেছে। তদন্তকারীদের দাবি, দলীয় তহবিল থেকে প্রায় একশো ষাট কোটি টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের তথ্য সামনে এসেছে। সেই লেনদেনের উৎস এবং প্রকৃতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, দলীয় অর্থ দিয়ে বিমান ও হেলিকপ্টার কেনার পর সেই যানই আবার ভাড়ায় ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, গোটা বিষয়টি আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িত হতে পারে এবং এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তিনি আরও দাবি করেন, তদন্ত এগোলে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অভিযোগের বিষয়ে কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও তদন্তাধীন।এদিকে ঋতব্রত শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির প্রথম বৈঠক শুরু হচ্ছে। দুই দিন ধরে চলা এই বৈঠকে সাংগঠনিক বিষয়, বিভিন্ন রাজ্যের সংগঠনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা এবং একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্রের খবর, বৈঠকের শেষে সংগঠন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হতে পারে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

দরজা বন্ধ বলেই দাবি ছিল, তবে কেন তৃণমূলের তিন নেতাকে নিল বিজেপি? জানালেন শমীক

রাজ্য রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের সাক্ষী থাকল বুধবার। এক মাস আগে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে দেওয়া তিন প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়, প্রকাশ চিক বরাইক এবং সুস্মিতা দেব আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাত ধরে তাঁরা দলে যোগ দেন। এই যোগদান ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, এর আগে বিজেপির তরফে জানানো হয়েছিল, তৃণমূলের জন্য দলের দরজা বন্ধ। তবে এ দিন সেই অবস্থানের ব্যাখ্যাও দেন শমীক ভট্টাচার্য।শমীক ভট্টাচার্য বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গে এমন রাজনীতি চলেছে, যেখানে কেন্দ্রের সঙ্গে সহযোগিতার বদলে সংঘাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এর ফলে রাজ্যের উন্নয়ন ব্যাহত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে আস্থা রেখে তৃণমূল ছেড়ে আসা তিন প্রাক্তন সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।তৃণমূলের জন্য দরজা বন্ধ থাকার পরও কেন এই তিন নেতাকে দলে নেওয়া হল, সেই প্রশ্নের উত্তরে শমীক বলেন, রাজনীতিতে ব্যতিক্রম থাকেই। দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তিনি জানান, যাঁরা দুর্নীতি, কাটমানি, চাকরি বিক্রি, সিন্ডিকেট বা সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচারের সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁদের জন্য বিজেপির দরজা সব সময় খোলা।তিনি আরও বলেন, এই তিন নেতাকে শুধু প্রাক্তন তৃণমূল নেতা হিসেবে দেখলে ভুল হবে। তাঁদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত পরিচয় রয়েছে। এখন থেকে তাঁদের একমাত্র রাজনৈতিক পরিচয়, তাঁরা বিজেপির সদস্য। তাই তাঁদের নামের আগে দলত্যাগী বা প্রাক্তন তৃণমূল নেতা বলার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।তিন প্রাক্তন সাংসদের বিজেপিতে যোগদানের ঘটনাকে রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মোড় বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। আগামী দিনে এই যোগদানের প্রভাব রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা পড়ে, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

নবান্নে শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকের পর মুখ খুললেন প্রসেনজিৎ, জল্পনার মাঝেই বড় ঘোষণা

বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সেই বৈঠকের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়। সম্প্রতি অমিত শাহর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের পর এই বৈঠককে ঘিরেও নানা আলোচনা শুরু হয়। তবে নবান্ন থেকে বেরিয়েই সমস্ত জল্পনায় ইতি টেনে দেন প্রসেনজিৎ। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই বৈঠকে রাজনীতি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।প্রসেনজিৎ বলেন, তিনি যদি কোনও দিন রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে সেই খবর তিনি নিজেই সকলকে জানাবেন। তাঁর কথায়, এ দিনের বৈঠকের মূল বিষয় ছিল বাংলা চলচ্চিত্র জগতের উন্নয়ন এবং মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উদ্যাপনের পরিকল্পনা।অভিনেতা জানান, আগামী তিন সেপ্টেম্বর মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বড় আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই বিষয়েই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পে ভবিষ্যতে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনাও নিয়ে কথা হয়েছে। যদিও এখনই কোনও ঘোষণা নয়, তবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ইতিবাচক খবর আসতে পারে বলেও আশাবাদী তিনি।প্রসেনজিৎ আরও বলেন, তাঁর সঙ্গে অতীতেও কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি, এখনও হয়নি। তিনি শুধু নিজের শিল্প, নিজের ইন্ডাস্ট্রি এবং মহানায়ক উত্তম কুমারকে ঘিরে পরিকল্পনা নিয়েই কথা বলতে গিয়েছিলেন। তাঁর মতে, উত্তম কুমার শুধু বাংলার নন, তিনি গোটা দেশের গর্ব।চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নের জন্য ভবিষ্যতে কোনও বিশেষ দায়িত্ব পেতে পারেন কি না, সেই প্রশ্নের জবাবে অভিনেতা বলেন, এ বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত বা আলোচনা হয়নি। তবে বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের স্বার্থে যখনই প্রয়োজন হবে, তিনি সব সময় পাশে থাকবেন। তাঁর কথায়, এই ইন্ডাস্ট্রিই তাঁর পরিচয়, তাই এর উন্নয়নের জন্য যে কোনও সময় কাজ করতে তিনি প্রস্তুত।

জুলাই ০৯, ২০২৬
বিদেশ

‘আমিই এক নম্বর টার্গেট!’ ইরানকে ঘিরে বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের, হঠাৎ বিমান বদলে বাড়ল জল্পনা

নিজের প্রাণনাশের আশঙ্কার কথা প্রকাশ্যে জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, ইরানের হত্যার তালিকায় প্রথম নাম তাঁরই। এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তুরস্ক সফর শেষে ফেরার পথে ট্রাম্পের হঠাৎ বিমান বদল ঘিরেও শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।ন্যাটোর শীর্ষ বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের অবস্থান আগের মতো শক্তিশালী নয়। তাঁর দাবি, একের পর এক নেতৃত্বে পরিবর্তন হয়েছে। সেই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, তিনিও যে কোনও সময় হামলার শিকার হতে পারেন। কারণ, ইরানের লক্ষ্যবস্তুদের তালিকায় তাঁর নামই প্রথম।ট্রাম্পের কথায়, তিনি জানেন ইরানের প্রধান নিশানা তিনি নিজেই। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ইরানের শাসকগোষ্ঠীর আচরণ একই রকম রয়েছে। দেশের এবং বিশ্বের স্বার্থে যা প্রয়োজন, তিনি সেই কাজই করছেন বলেও দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এই মন্তব্যের কিছুক্ষণের মধ্যেই সামনে আসে আরেকটি তথ্য। ন্যাটোর বৈঠকে যোগ দিতে যে বিমানে তিনি তুরস্ক গিয়েছিলেন, ফেরার সময় সেই বিমান ব্যবহার করেননি ট্রাম্প। পরিবর্তে অন্য বিমানে ওয়াশিংটনে ফেরেন তিনি। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা মেলেনি। ট্রাম্পও এ নিয়ে মুখ খোলেননি।তবে তাঁর প্রাণনাশের আশঙ্কার মন্তব্য এবং হঠাৎ বিমান বদলের ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণেই কি এই অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে, সেই প্রশ্ন এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
রাজ্য

চৌদ্দ বছর পর হঠাৎ খুলল বরুণ হত্যা মামলা! সিআইডি পৌঁছতেই জ্যোতিপ্রিয়কে ঘিরে বিস্ফোরক দাবি পরিবারের

চৌদ্দ বছর আগে নিহত প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসের হত্যা মামলায় ফের নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। বৃহস্পতিবার তদন্তকারী আধিকারিকেরা উত্তর চব্বিশ পরগনায় বরুণ বিশ্বাসের বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে আলোড়ন তৈরি হয়েছে।পরিবারের দাবি, আগের তদন্তে প্রকৃত সত্য সামনে আসেনি। তাই নতুন করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছিল। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে বিচার চেয়ে আবেদন করেছিলেন পরিবারের সদস্যরা। এরপরই সিআইডির এই পদক্ষেপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বরুণ বিশ্বাসের দিদি প্রমীলা রায় দাবি করেছেন, তাঁর ভাই তোলাবাজি ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় পরিকল্পনা করে তাঁকে খুন করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।দুই হাজার বারো সালের পাঁচ জুলাই গোবরডাঙা স্টেশন চত্বরে গুলি করে খুন করা হয় বরুণ বিশ্বাসকে। এই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হলেও পরিবারের অভিযোগ, প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাঁদের দাবি, প্রকৃত দোষীদের শাস্তি এখনও হয়নি।পরিবার জানিয়েছে, তারা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির তত্ত্বাবধানে বিশেষ তদন্ত চেয়েছে। নতুন করে তদন্ত শুরু হওয়ায় বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

হাসপাতালের ভিতরে কে দালাল, কে আসল কর্মী! এবার এক নজরেই ধরা পড়বে, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

হাসপাতাল থেকে দালালচক্র নির্মূল করতে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুম পরিদর্শনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এবার থেকে হাসপাতালগুলির উপর সরাসরি নজরদারি চলবে স্বাস্থ্যভবন থেকেই। দালালদের চিহ্নিত করতে নতুন পরিচয় ব্যবস্থাও চালু করা হচ্ছে।স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, সাফাই কর্মী এবং অন্যান্য কর্মীদের জন্য আলাদা রঙের পরিচয়পত্র থাকবে। রোগীদের হাতে থাকবে এক ধরনের রঙিন ব্যান্ড এবং রোগীর পরিজনদের জন্য থাকবে অন্য রঙের ব্যান্ড। এই পরিচয়চিহ্নের বাইরে হাসপাতালের ভিতরে যাঁদের দেখা যাবে, তাঁদের পরিচয় যাচাই করা হবে। এর মাধ্যমে দালালচক্রের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, হাসপাতালের প্রত্যেক শ্রেণির মানুষের জন্য আলাদা রঙের পরিচয় ব্যবস্থা চালু করা হবে। এতে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও রোগীর পরিজনদের সহজেই চিহ্নিত করা যাবে। হাসপাতালের নিরাপত্তা এবং পরিষেবা আরও স্বচ্ছ করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ত্রিশ জুলাইয়ের মধ্যে এই নতুন ব্যবস্থা চালু করার কাজ শেষ করতে হবে। স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুম থেকে রাজ্যের হাসপাতালগুলির পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখা হবে। হাসপাতালের ভিতরে অনিয়ম, ভুয়ো পরিচয়ে ঘোরাফেরা এবং দালালচক্রের দৌরাত্ম্য রুখতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছে সরকার।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের জন্য ল্যামিনেশন করা আলাদা পরিচয়পত্র তৈরি করা হবে। অতীতে হাসপাতালের ভিতরে ভুয়ো পরিচয়ে বিভিন্ন কাজ করার অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই ধরনের ঘটনা বন্ধ করতেই এই নতুন পরিচয় ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জুলাই ০৯, ২০২৬
রাজ্য

বাংলাদেশে আটকে থাকার অবসান! বাড়ি ফিরেই প্রথমবার সন্তানের মুখ দেখলেন বাবা, আবেগে ভাসল গোটা গ্রাম

এক বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। আদালতের নির্দেশে অবশেষে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফিরলেন বীরভূমের পাইকর গ্রামের বাসিন্দা দানিশ শেখ, সুইটি বিবি এবং তাঁদের দুই ছেলে। বুধবার মালদার মহদীপুর সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করার পর দীর্ঘ পথ পেরিয়ে রাতে নিজের গ্রামে পৌঁছন তাঁরা। পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের আবেগঘন মুহূর্তে আনন্দে ভেসে যায় গোটা পরিবার।সবচেয়ে আবেগের মুহূর্ত ছিল দানিশ শেখের জীবনে। চার মাস আগে তাঁর ছোট ছেলে আপনের জন্ম হলেও এতদিন সন্তানের মুখ দেখার সুযোগ পাননি তিনি। বাড়ি ফিরে প্রথমবার ছেলেকে কোলে নিয়ে দানিশ বলেন, জন্মের পর এই প্রথম তিনি নিজের সন্তানের মুখ দেখলেন। পরিবারের সবাইকে কাছে পেয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের কষ্ট যেন এক মুহূর্তে দূর হয়ে গেছে।জীবিকার খোঁজে বহু বছর ধরে দিল্লিতে কাজ করতেন পাইকর গ্রামের এই পরিবার। গত বছরের তেইশ জুন তাঁদের বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, নাগরিকত্বের পূর্ণাঙ্গ যাচাই ছাড়াই তাঁদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে দীর্ঘদিন তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করা হয়।এরপর তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশের পর ধাপে ধাপে পরিবারের সদস্যদের ভারতে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর আগে অন্তঃসত্ত্বা সোনালি খাতুন ও তাঁর ছোট সন্তান দেশে ফিরলেও দানিশ শেখ, সুইটি বিবি এবং তাঁদের দুই ছেলে বাংলাদেশেই ছিলেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে তাঁরাও দেশে ফিরতে সক্ষম হন।বাড়ি ফিরে দানিশ শেখ জানান, পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারাই এখন তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তিনি বলেন, যদি নিজের রাজ্যেই কাজের সুযোগ পান, তাহলে আর বাইরে কাজ করতে যেতে চান না। নিজের পরিচয় সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি সম্পূর্ণ করার জন্যও তিনি আবেদন করেছেন।সুইটি বিবিও বাড়ি ফিরে স্বস্তির কথা জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, দিল্লিতে আটক হওয়ার সময় তাঁদের উপর অত্যাচার করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, বারবার ভারতীয় নাগরিক হওয়ার কথা জানালেও তাঁদের কথা শোনা হয়নি। দীর্ঘ এক বছর বাড়ির বাইরে কাটানোর পর অবশেষে নিজের গ্রামে ফিরতে পেরে তিনি এবং তাঁর পরিবার নতুন করে জীবন শুরু করার আশায় রয়েছেন।

জুলাই ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal